09/10/2026 Latest News, Breaking News & West Bengal Updates
মালদা মেডিক্যাল কলেজে একদিনে ১০ নবজাতকের মৃত্যু, আগস্টে মৃত ৬০! রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য দফতরের
উত্তরবঙ্গ

মালদা মেডিক্যাল কলেজে একদিনে ১০ নবজাতকের মৃত্যু, আগস্টে মৃত ৬০! রিপোর্ট তলব স্বাস্থ্য দফতরের

News Bangla Live 24 August 27, 2026 0 min read

মালদা: মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে একদিনে ১০ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে, ১২ আগস্ট। পাশাপাশি, চলতি আগস্ট মাসের প্রথম তিন সপ্তাহে ওই হাসপাতালে মোট ৬০ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে এবং ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট তথা ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, ১২ আগস্ট যে ১০ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে মাত্র দু’জনের জন্ম হয়েছিল মালদা মেডিক্যাল কলেজেই। বাকি আটজনকে মালদার বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় মালদা মেডিক্যালে রেফার করা হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রের দাবি, মৃত শিশুদের মধ্যে কয়েকজনের তীব্র শ্বাসকষ্ট, জন্ডিস এবং জন্মগত হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা ছিল। আগস্টে মৃত ৬০ শিশুর মধ্যে ৪৪ জনই অন্য হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে জন্মের পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মালদা মেডিক্যাল কলেজে রেফার হয়েছিল। বাকি ১৬ জনের জন্ম হয়েছিল মালদা মেডিক্যাল কলেজে।

এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর মালদা মেডিক্যাল কলেজের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য ভবনে পাঠানো হয়েছে এবং বিস্তারিত রিপোর্টও জমা দেওয়া হবে।

শুধু মালদা মেডিক্যাল কলেজ নয়, শিশুদের যে হাসপাতাল, নার্সিংহোম বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি থেকে রেফার করা হয়েছিল, সেগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৬টি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, নাকি অধিকাংশ শিশুই অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় রেফার হয়ে এসেছিল—তা স্পষ্ট হবে।

স্বাস্থ্য দফতরের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট সামনে না আসা পর্যন্ত শিশুমৃত্যুর জন্য নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা হাসপাতালকে দায়ী করা হয়নি।

Leave a Comment