09/10/2026 Latest News, Breaking News & West Bengal Updates
রাধিকাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, ৪০ ঘণ্টা পর মরদেহ হস্তান্তর
উত্তরবঙ্গ

রাধিকাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, ৪০ ঘণ্টা পর মরদেহ হস্তান্তর

News Bangla Live 24 September 15, 2026 1 min read

উত্তর দিনাজপুর: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফের উত্তেজনার পরিস্থিতি। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুর সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহতের মরদেহ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে রাধিকাপুর সীমান্তের চকশিবানন্দ এলাকার কাছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, গভীর রাতে একদল বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় বিএসএফের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং গুলি চলে। গুলিতে কয়েকজন আহত হন। আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

নিহত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম আসাদুল হক বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ এলাকায়। ঘটনায় আরও দু’জন আহত হওয়ার খবর রয়েছে। আহতদের ভারতীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ আটক করে বলে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়। নিহতের মরদেহ ফেরত পাঠানোর জন্য বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকের পর প্রায় ৪০ ঘণ্টা পরে মরদেহ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সীমান্তে এই ধরনের ঘটনা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশ রোখার পদ্ধতি নিয়ে। যদিও ঘটনার পরিস্থিতি এবং বিএসএফের গুলি চালানোর কারণ নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য রয়েছে। ফলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ ও পরিস্থিতি জানতে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।

রাধিকাপুর সীমান্ত উত্তর দিনাজপুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা। এর আগে এই অঞ্চলে অনুপ্রবেশ ও সীমান্তপারের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে।

মরদেহ হস্তান্তরের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব শেষ হলেও, সীমান্তে গুলি চালানোর পরিস্থিতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল—তা নিয়ে এখনও একাধিক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বাকি।

Leave a Comment