09/10/2026 Latest News, Breaking News & West Bengal Updates
জয়ন্তী থেকে বন্ধ হচ্ছে সাফারি, ক্ষুব্ধ পর্যটন ব্যবসায়ীরা
উত্তরবঙ্গ

জয়ন্তী থেকে বন্ধ হচ্ছে সাফারি, ক্ষুব্ধ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

News Bangla Live 24 September 10, 2026 0 min read

আলিপুরদুয়ার: বর্ষার দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প। তবে জঙ্গল খোলার আগেই সাফারি নিয়ে সামনে এল নতুন সিদ্ধান্তের খবর। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্তী থেকে জঙ্গল সাফারি বন্ধ করে শুধুমাত্র রাজাভাতখাওয়া থেকে কার সাফারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি।

বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের দু’টি জায়গা—জয়ন্তী এবং রাজাভাতখাওয়া—থেকে পর্যটকদের নিয়ে জঙ্গল সাফারি হয়। জয়ন্তী থেকে প্রায় ১৪টি গাড়ি এবং রাজাভাতখাওয়া থেকে পাঁচটি গাড়ি সাফারিতে বেরোয়। দু’টি জায়গা থেকে সাফারির রুটও প্রায় একই। নতুন ব্যবস্থায় জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধ করে রাজাভাতখাওয়া থেকেই সাফারি চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বন দফতর সূত্রের খবর, জঙ্গলের মূল বা ‘কোর’ এলাকা থেকে সাফারি সরিয়ে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ‘বাফার’ এলাকায় চালানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই পরিবর্তন করা হচ্ছে, সে বিষয়ে বন দফতরের তরফে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতির সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে। আলিপুরদুয়ার জেলা পর্যটন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে জেলার পর্যটন ব্যবসার একটি বড় অংশ গড়ে উঠেছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পর্যটকের সংখ্যা কমার পাশাপাশি স্থানীয় হোটেল, গাড়ি এবং অন্যান্য পর্যটননির্ভর ব্যবসাতেও প্রভাব পড়তে পারে।

আলিপুরদুয়ার জেলা ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানব বক্সির দাবি, সরকারি নির্দেশিকা হাতে না এলেও তাঁরা জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরেছেন। তাঁর বক্তব্য, এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পর্যটন ব্যবসায়ীদের জানানো প্রয়োজন। তা না হলে পর্যটকদের সঠিক তথ্য দেওয়া কঠিন হবে এবং জেলার পর্যটন ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্পে চারটি বাঘিনির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে একটি বাঘিনিকে চিহ্নিত করে বক্সায় আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

ফলে একদিকে বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতি এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের বিষয়টি যেমন সামনে রয়েছে, তেমনই অন্যদিকে জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পর্যটন ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশের পরই পরিষ্কার হবে, জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের সিদ্ধান্ত কীভাবে এবং কবে থেকে কার্যকর হচ্ছেআলিপুরদুয়ার: বর্ষার দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যটকদের জন্য খুলছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প। তবে জঙ্গল খোলার আগেই সাফারি নিয়ে সামনে এল নতুন সিদ্ধান্তের খবর। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্তী থেকে জঙ্গল সাফারি বন্ধ করে শুধুমাত্র রাজাভাতখাওয়া থেকে কার সাফারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি।

বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের দু’টি জায়গা—জয়ন্তী এবং রাজাভাতখাওয়া—থেকে পর্যটকদের নিয়ে জঙ্গল সাফারি হয়। জয়ন্তী থেকে প্রায় ১৪টি গাড়ি এবং রাজাভাতখাওয়া থেকে পাঁচটি গাড়ি সাফারিতে বেরোয়। দু’টি জায়গা থেকে সাফারির রুটও প্রায় একই। নতুন ব্যবস্থায় জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধ করে রাজাভাতখাওয়া থেকেই সাফারি চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বন দফতর সূত্রের খবর, জঙ্গলের মূল বা ‘কোর’ এলাকা থেকে সাফারি সরিয়ে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ‘বাফার’ এলাকায় চালানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই পরিবর্তন করা হচ্ছে, সে বিষয়ে বন দফতরের তরফে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতির সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে। আলিপুরদুয়ার জেলা পর্যটন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে জেলার পর্যটন ব্যবসার একটি বড় অংশ গড়ে উঠেছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পর্যটকের সংখ্যা কমার পাশাপাশি স্থানীয় হোটেল, গাড়ি এবং অন্যান্য পর্যটননির্ভর ব্যবসাতেও প্রভাব পড়তে পারে।

আলিপুরদুয়ার জেলা ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানব বক্সির দাবি, সরকারি নির্দেশিকা হাতে না এলেও তাঁরা জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরেছেন। তাঁর বক্তব্য, এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পর্যটন ব্যবসায়ীদের জানানো প্রয়োজন। তা না হলে পর্যটকদের সঠিক তথ্য দেওয়া কঠিন হবে এবং জেলার পর্যটন ব্যবসা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্পে চারটি বাঘিনির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে একটি বাঘিনিকে চিহ্নিত করে বক্সায় আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

ফলে একদিকে বক্সায় বাঘ আনার প্রস্তুতি এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের বিষয়টি যেমন সামনে রয়েছে, তেমনই অন্যদিকে জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পর্যটন ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশের পরই পরিষ্কার হবে, জয়ন্তী থেকে সাফারি বন্ধের সিদ্ধান্ত কীভাবে এবং কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে

Leave a Comment